গল্পটি হচ্ছে—–
”For sale. Baby shoes. Never worn”
গল্পটির বাংলা অনুবাদঃ
”বিক্রির জন্য। শিশুর জুতা। ব্যবহৃত নয়”
এইটাই পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গল্প গল্পটিটির লেখক মার্কিন সাহিত্যিক ও সাংবাদিক Ernest Hemingway (আর্নেস্ট হেমিংওয়ে)।
একজন মায়ের অনুভূতি নিয়ে লেখা এ গল্পটি মাত্র ৬টি শব্দ দিয়ে লেখা হয়েছিল। সাহিত্য সমালোচকেরা এটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোটগল্প
হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে থাকেন !!
কিন্তু গল্পটির অর্থ বুঝতে পারলেন কি কিছু? গল্পটির ভেতর একটা রহস্য লুকিয়ে আছে। বুঝলে বুঝতে হবে নিজের মতো করেই… এবার বলছি গল্পটির ভাবার্থ এইরকম ”বাচ্চার জন্য জুতো কেনা হয়েছিল, কিন্তু সেই বাচ্চাটা পৃথিবীর আলোই দেখেনি, মায়ের গর্ভেই শিশুটির মৃতু হয়” ৬ শব্দে গর্ভে মারা যাওয়া শিশুর জন্য মায়ের অনুভূতি! কী ভীষণ বেদনাদায়ক, তাই না?
সন্তানের জন্য পৃথিবীর প্রতিটি মায়ের অনুভূতিই এমন হয়ে থাকে। আমরা সন্তানেরা সেই মায়ের অনুভূতিগুলো কেউ বুঝতে পারি, কেউবা বুঝতে পারি না !! অনেক সময় মাত্র কয়েকটি শব্দের মতই লুকিয়ে থাকে লক্ষ কোটি অর্থ, ভালোবাসা আর জীবনের সকল সমাপ্তি….
গল্পটি কীভাবে লিখেছিলেন হেমিংওয়ে?
বন্ধুদের সঙ্গে একবার রেস্তোরাঁয় বসে খাচ্ছিলেন হেমিংওয়ে। সে সময় তিনি বন্ধুদের সঙ্গে ১০ ডলারের বাজি ধরেন যে ছয় শব্দে তিনি একটা আস্ত গল্প লিখে ফেলতে পারবেন। এরপর ন্যাপকিনে লিখে ফেলেন তার গল্পটি।
ছোট্ট একটা বাক্যে চমৎকার এই গল্পটাই এখনো পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে ছোট আকারের গল্প।


















