• Latest

আলী আমজাদের ঘড়িঃ কালের স্বাক্ষী

জুলাই 31, 2020
একাত্তরের দিনগুলি বই রিভিউ

বই রিভিউঃ একাত্তরের দিনগুলি

আগস্ট 2, 2020
এইচএসসি পরীক্ষা 2020

এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা

জুলাই 31, 2020
সারাদেশে দোকান ও সুপারমার্কেট বন্ধ ঘোষণা

সারাদেশে দোকান ও সুপারমার্কেট বন্ধ ঘোষণা

জুলাই 31, 2020
ইটালিতে করোনভাইরাসে মৃত্যুর পরিমাণ এক দিনে ৭৯৩, মোট মৃতের সংখ্যা ৪,৮২৫

ইটালিতে করোনভাইরাসে মৃত্যুর পরিমাণ এক দিনে ৭৯৩, মোট মৃতের সংখ্যা ৪,৮২৫

জুলাই 31, 2020
রসুই ঘর এবার মাউন্ট এভারেস্টে

রসুই ঘর এবার মাউন্ট এভারেস্টে

জুলাই 31, 2020

সৌন্দর্যের বুকে নি:শব্দ কান্না ‘নাহকালিকাই’

জুলাই 31, 2020

৫৭ বছর বয়সেও আকর্ষণীয় বারবি ডল

জুলাই 31, 2020

দরজার হাতল এবার বিদায়

জুলাই 31, 2020

বাক্সে মোড়ানো ‘রঙ পেনসিল’

জুলাই 31, 2020

রেসলিংঃ মারামারি আর বিনোদনের এক আধুনিক সংস্করণ

জুলাই 31, 2020

নীলাকাশ কেনও নীলে ভরপুর?

জুলাই 31, 2020

মজার খাবার, কিন্তু নিষিদ্ধ ! (পর্ব -২)

জুলাই 31, 2020
জাগরণ
  • হোম
  • দেশ
    এইচএসসি পরীক্ষা 2020

    এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা

    সারাদেশে দোকান ও সুপারমার্কেট বন্ধ ঘোষণা

    সারাদেশে দোকান ও সুপারমার্কেট বন্ধ ঘোষণা

  • প্রযুক্তি
  • খেলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • পরামর্শ
  • অন্যান্য
    • All
    • উৎস
    • ডিজাইন আদি-অন্ত
    • পরামর্শ
    • প্রতিবেদন
    রসুই ঘর এবার মাউন্ট এভারেস্টে

    রসুই ঘর এবার মাউন্ট এভারেস্টে

    সৌন্দর্যের বুকে নি:শব্দ কান্না ‘নাহকালিকাই’

    ৫৭ বছর বয়সেও আকর্ষণীয় বারবি ডল

    দরজার হাতল এবার বিদায়

    বাক্সে মোড়ানো ‘রঙ পেনসিল’

No Result
View All Result
শুক্রবার, সেপ্টেম্বর 25, 2026
26 °c
Dhaka
  • Login
জাগরণ
  • হোম
  • দেশ
    এইচএসসি পরীক্ষা 2020

    এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা

    সারাদেশে দোকান ও সুপারমার্কেট বন্ধ ঘোষণা

    সারাদেশে দোকান ও সুপারমার্কেট বন্ধ ঘোষণা

  • প্রযুক্তি
  • খেলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • পরামর্শ
  • অন্যান্য
    • All
    • উৎস
    • ডিজাইন আদি-অন্ত
    • পরামর্শ
    • প্রতিবেদন
    রসুই ঘর এবার মাউন্ট এভারেস্টে

    রসুই ঘর এবার মাউন্ট এভারেস্টে

    সৌন্দর্যের বুকে নি:শব্দ কান্না ‘নাহকালিকাই’

    ৫৭ বছর বয়সেও আকর্ষণীয় বারবি ডল

    দরজার হাতল এবার বিদায়

    বাক্সে মোড়ানো ‘রঙ পেনসিল’

No Result
View All Result
জাগরণ
No Result
View All Result
Home অন্যান্য উৎস

আলী আমজাদের ঘড়িঃ কালের স্বাক্ষী

মারিয়া ইসলাম রিপা by মারিয়া ইসলাম রিপা
জুলাই 31, 2020
Reading Time: 1 min read
0 0
0
SHARES
1.8k
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

অবস্থান: সিলেট সার্কিট হাউজ ও ক্বিন ব্রীজ সংলগ্ন।

যোগাযোগ ব্যবস্থা: সিলেট রেলওয়ে স্টেশন অথবা কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল হতে ১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিম দিকে গেলেই ঐতিহাসিক আলী আমজাদ ঘড়িটির অবস্থান।

ভাড়া: পর্যটকরা রিক্সা অথবা সিএনজি যোগে যেতে পারেন। ভাড়া ৩০-৫০/-  টাকা।

ঘড়ি ঘরের পরিমাপ নিম্নরূপ:

     দৈর্ঘ্য: ৯ ফুট ৮ ইঞ্চি

     প্রস্হ: ৮ ফুট ১০ ইঞ্চি

     নীচ থেকে ছাদ পর্যন্ত উচ্চতা: ১৩ ফুট

     ছাদ থেকে ঘড়ি অংশের উচ্চতা: ৭ ফুট

     ঘড়ির উপরের অংশের উচ্চতা: ৬ ফুট

     মোট উচ্চতা: ২৬ ফুট

সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত কীনব্রীজকে সিলেটের প্রবেশদ্বার বলা হয়ে থাকে। আর শহরের অংশের নদী সংলগ্ন তীরে এবং কীন ব্রীজের পাশেই চাঁদনীঘাটে রয়েছে বিখ্যাত আলী আমজাদের ঘড়ি। কীন ব্রীজ ও আলি আমজাদের ঘড়ি এখন সলেটের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছে। ১৯৩৬ সালে আসামের শিক্ষামন্ত্রী খান বাহাদুর আব্দুল হামিদ এবং আসামের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্য বাবু প্রমোদ চন্দ্র দত্ত’ এর উদ্যোগে এই ব্রীজ তেরি হয়। ব্রীজটি উদ্বোধন করেন আসামের তৎকালীন গর্ভনর মাইকেল কীন এবং তার নামেই ব্রীজের নামকরণ করা হয়। তবে ব্রীজটি সুরমা ব্রীজ নামেও ব্যাপক পরিচিত।
কীন ব্রীজ থেকে নীচের দিকে তাকালে, চাঁদনী ঘাটের কাছেই চোখে পড়ে আলী আমজাদের ঘড়ি। জানা যায় পৃথিম পাশার জমিদার আলি আমজাদ নিমন্ত্রিত হয়ে দিল্লি গিয়েছিলেন। দিল্লির একটি ঘড়ি দেখে তিনি পরবর্তীতে একই ডিজাইনে সিলেটে ঘড়ি তৈরী করেন-যা বর্তমানে আলী আমজাদের ঘড়ি নামে পরিচিত। উল্লেখ্য আলী আমজাদ অবিভক্ত বাংলার আসাম কেবিনেটের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে ঘড়িটি অচল অবস্হায় আছে।
তবে নতুন করে ক্বীন ব্রীজকে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। রাতের ক্বীনব্রীজ যে কাউকেই আকর্ষন করছে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অনুমতিতে গ্রামীণফোন কোম্পাণী এই আলোকসজ্জার কাজ করেছে ,কীন ব্রীজ ও তার পাশে থাকা আলী আমজদের ঘড়িকে আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে। কিন্তু বন্ধ হয়ে আছে ঘড়ির কাটা। প্রতিদিন অনেক দর্শনার্থী ঘড়িতে সময় দেখতে থাকালেও ঘুরছে না ঘড়ির কাটা। সকল সুন্দর্য্য যেন এখানে এসে ম্লান হয়ে গেছে।
সিলেট নগরীর প্রবেশদ্বার সুরমা নদী। স্রোতস্বিনী সুরমা নদীর তীর ঘেঁষে সিলেট মহানগরীর ঐতিহ্যবাহী কিন ব্রিজের ডান পাশে নবাব আলী আমজাদের ঘড়িটি অবস্থিত।

এ অঞ্চলে যখন ঘড়ির অবাধ প্রচলন ছিল না, মানুষ সূর্যের দিকে তাকিয়ে সময় আন্দাজ করতেন, ঠিক সে সময় অর্থাৎ ১৩৩ বছর আগে ১৮৭৪ সালে সিলেট মহানগরীর প্রবেশদ্বার  কিন ব্রিজের ডান পাশে সুরমা নদীর তীরে এই ঐতিহাসিক ঘড়িঘরটি নির্মাণ করেন সিলেটের কুলাউড়ার পৃথিম পাশার নামজাদা জমিদার নবাব আলী আমজাদ খান। লোহার খুঁটির ওপর ঢেউটিন দিয়ে সুউচ্চ গম্বুজ আকৃতির এ মনোরম স্থাপত্য শৈলীর পরিচায়ক ঘড়িঘরটি তখন থেকেই আলী আমজাদের ঘড়িঘর নামে পরিচিতি লাভ করে।
মুক্তিযুদ্ধের আগে পর্যন্ত ঐতিহাসিক ঘড়িঘরটি সচল ছিল। সে সময় এ সুবিশাল ঘড়িটির মেশিন চাবি দিয়ে চালানো হতো। প্রতিদিন ঘড়ির চাবি দেয়ার জন্য তৎকালীন পৌরসভায় একজন কর্মচারী নিযুক্ত ছিল। বিরাট আকারের ডায়াল ও কাঁটা সংযুক্ত সুবিশাল ঘড়িটির ঘণ্টাধ্বনি শহরের বাইরে অনেকদূর থেকেও শোনা যেত। নির্মাণের পর এই আকর্ষণীয় ঘড়িটি দেখার জন্য প্রতিদিন সিলেটের দূর-দূরান্তের গ্রামাঞ্চল থেকে লোকজনের শহরে আগমন ঘটত। সে আমলে মানুষজন শহরের প্রবেশপথে স্থাপিত ঘড়িঘরের সময় দেখে শহরে আসা-যাওয়া ও কাজকর্ম সম্পাদন করতেন।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন হানাদার বাহিনীর গোলার আঘাতে এই প্রাচীন ঘড়িঘর বিধ্বস্ত হয়। স্বাধীনতার পর পৌরসভা মেরামতের মাধ্যমে ঘড়িটি সচল করলেও কিছুদিনের মধ্যে ঘড়ির কাঁটা বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৮৭ সালে তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান আ ফ ম কামাল অ্যাডভোকেটের আন্তরিক প্রচেষ্টায় নবাব আলী আমজাদের ঘড়ি মেরামত করে আবার চালু করা হয়। এ সময় ঘড়িটি চালু করার জন্য ঢাকার একটি কোম্পানির কারিগররা ঘড়িটি চালু রাখার জন্য রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে ঘড়িটি সচল রাখার ব্যবস্থা নেয়। পৌর চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষ থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ঘড়ির কাঁটা ঘুরত। কিন্তু দু’চার বছর যেতে না যেতেই ঘড়ির কাঁটা আবার বন্ধ হয়ে যায়।
ঐতিহাসিক নবাব আলী আমজাদের ঘড়ি পর্যটকদের জন্য এক অন্যতম আকর্ষণ। নগরীর সৌন্দর্য বর্ধনে এই ঘড়ির ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। সিলেট বেড়াতে এসে ঘড়িঘর দেখতে কেউ ভুল করেন না। সুরমা নদীর তীরবর্তী ঘড়িঘর ও এর লাগোয়া ঐতিহাসিক কিন ব্রিজ ও চাঁদনীঘাট এলাকাটি সিলেট মহানগরের একটি আকর্ষণীয় স্থান। এর পার্শ্ববর্তী সুরমা নদীর পাড় বাঁধাই করে রেলিং দিয়েও অত্যাধুনিক ফোয়ারা স্থাপন করে এলাকাটি একটি বিনোদনের স্পট তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন দেশী-বিদেশী পর্যটক ও নগরবাসী এখানে বেড়াতে, অবসর সময় কাটাতে এবং চিত্তবিনোদনের জন্য আসেন।
ঐতিহ্যের এ স্মারক এখন তাই স্তব্ধ। তবে আলোকসজ্জা করে ঝলমল করে তোলা হয়েছে ঘড়ি ঘরটি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করেই মূলত এক আলোকসজ্জা। দীর্ঘ ১ বছর থেকে ঘড়ির কাঁটা সকাল সাড়ে ৮টার কাঁটায় আটকে আছে। কর্তৃপক্ষও এ ঘড়িটির ব্যাপারে কার্যত নির্বিকার। তাই ক্ষুব্ধ আপামর নগরবাসী। এ ঘড়িটি সুদীর্ঘ ইতিহাস কালের সাক্ষী। ব্রিটিশ আমল পরবর্তী ভারত, পাকিস্তান পেরিয়ে এখন স্বাধীন বাংলাদেশ। ঘড়িটি আছে যেই সেই। কিন্তু শুধু বারবার নষ্ট হয়ে যায় ঘড়ির কাঁটা। মেরামতও হয়। যথাযথ দেখভালের কারণে ঘড়িটি সচল থাকে না।

প্রায় ১৪০ বছর যাবৎ উক্তটি ঘড়িটি আলী আমজাদের স্মৃতি বহন করে আসছে। সম্প্রতি সিলেট সিটি কর্পোরেশেনের উদ্যোগে ঘড়িটি আধুনিকায়ন ও মেরামত করা হয়। এটি সিলেট জেলার একটি অন্যতম পর্যটন আকষর্ণীয় স্থান। দেশী-বিদেশী অনেক পর্যটক এই ঘড়িটি একনজরে দেখার জন্য প্রতিনিয়ত ভিড় জমায়।

Related Posts

উৎস

সৌন্দর্যের বুকে নি:শব্দ কান্না ‘নাহকালিকাই’

জুলাই 31, 2020
উৎস

স্বর্ণতুল্য চা ‘দা হং পাও’

জুলাই 31, 2020
উৎস

দামে মোড়ানো মহাদামি জুতো! পর্ব – ১

জুলাই 31, 2020
উৎস

গাছ, তুমি সুন্দর!

জুলাই 31, 2020
উৎস

চীনে’র নীতি বিয়ের রীতি

জুলাই 31, 2020
উৎস

চিবিয়ে চিবিয়ে চুইং গাম

জুলাই 31, 2020
জাগরণ

© 2019 to Jaagoron.com

Navigate Site

  • হোম
  • যোগাযোগ
  • Privacy Policy
  • Terms of Use

Follow Us

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
No Result
View All Result
  • হোম
  • দেশ
  • প্রযুক্তি
  • খেলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • পরামর্শ
  • অন্যান্য

© 2019 to Jaagoron.com