বার্সোলোনা একটি ফুটবল ক্লাব এর নাম হিসেবেই বেশী পরিচিত। কিন্তু, বার্সোলোনা শহরে আরও চমৎকার অনেক কিছু রয়েছে, যা দেখার জন্য অবশ্যই একবার হলেও সেখানে ভ্রমণে যাওয়া উচিৎ।
ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক হস্তনির্মিত প্রাচুর্য এ সাজানো বার্সোলোনা। প্যারিস এর মতই আরেকটি বিস্ময়কর ও রোম্যান্টিক শহর হল বার্সোলোনা। এখানকার দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে ধারণা থাকলে অবশ্যই এখানে যাবার স্বপ্ন দেখা শুরু করবেন আপনিও।
১. রাস্তার আলোকচিত্র:
বার্সোলোনা একটি বড় শহর। কিন্তু এখানে পায়ে হেঁটে রাস্তা দেখার মজাই আলাদা। বেশীরভাগ রাস্তাতেই আলোকচিত্র আঁকা রয়েছে। শহরে খুব সুন্দর সুন্দর দালান ও পার্ক রয়েছে। আপনার যদি হাটতে ভাল না লাগে, তাহলে সাইকেলে করে ঘুরে দেখতে পারেন।
২. চমৎকার আধুনিক স্থাপত্য:
আপনি শহরের প্রায় প্রতিটি যায়গায় চমৎকার চমৎকার স্থাপত্য দেখতে পাবেন। তাদের দালানগুলো দিনের পর দিন আরও উন্নত করা হচ্ছে। বিখ্যাত আর্কিটেক্ট অ্যান্টনিও গৌরি সেখানের বেশির ভাগ দালান ডিজাইন করেছেন। সব থেকে সুন্দর স্থাপত্যের মধ্যে রয়েছে শাগরাদা ফামিলিয়া, পার্ক গুএল, লা পেদ্রেরা এবং কাসা বাটল।
৩. খাবারের জন্য:
আপনি এই শহরের খাবারের প্রেমে পরে যাবেন অতি শীঘ্রই, যদি আপনার খাবারের প্রতি ঝোঁক বেশী থাকে। এখানে দুপুরে খাবারের জন্য অফিস প্রায় ২ ঘণ্টা সময় দেন। রাস্তার পাশে সামুদ্রিক মৎস্য ও পেস্ট্রি এর দোকানের অভাব নেই। এখানের সকল খাদ্য বিশ্বের সব থেকে বেশী তাজা খাবার। আপনার সারা শহরে কোন কিছু ভাল না লাগলেও, সেখানের খাবারকে অবশ্যই মিস করবেন।
এছাড়া কফি, আইসক্রিম ও চকলেটের জন্যও বার্সোলোনা অনেক বিখ্যাত। এখানের হট চকলেট ও কফি বিশ্ব সেরা।
৪. আকর্ষণীয় বিচ:
বার্সোলোনাকে ভালবাসার আরেকটি কারন হল এখানের আকর্ষণীয় বিচসমূহ। বিচের কিনারাগুলো দারুনভাবে সাজানো। শহরের তাপমাত্রা উষ্ণ প্রকৃতির এবং বিচগুলো সুন্দর এবং পরিষ্কার।
৫. সমৃদ্ধ ইতিহাস:
সবদিক থেকেই এটি একটি বিশ্বমানের শহর। ঐতিহাসিক প্রতিক দিয়ে শহরের প্রতিটি যায়গা আচ্ছাদিত। আপনার প্রতি পদে পদে এই ঐতিহাসিক প্রতিকগুলো দেখতে পাবেন। শহরের ব্যাপারে সকল ইতিহাস খুব দ্রুত জানতে চাইলে “মুসেও ডি হিস্টরিয়া ডে বার্সোলোনা” তে যেতে পারেন। এখানে বার্সোলোনার ঐতিহ্য সংরক্ষন করা আছে। এখানে পুরান দিনের সকল স্থাপত্য ও ইতিহাস প্রদর্শন করা হয়।
তাই, এখানে যদি একবার ঘুরতে যাবার ইচ্ছা পোষণ করে ভ্রমনের উদ্দেশ্যে যান, তাহলে আপনিও চিন্তা করবেন যে সেখানেই যেন সবসময় থাকার ব্যবস্থা করা যায়।















