বিশ্ব পর্যটন দিবসে দেশে সপ্তাহব্যাপী নানা কর্মসূচি শুরু

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও শিশুদের সিটি ট্যুরসহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড দেশজুড়ে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু করেছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবন থেকে উদ্বোধনী র‍্যালির মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী র‍্যালির উদ্বোধন করেন। এতে পর্যটন খাতের অংশীজনরা বাংলার ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ঢাকার সাংস্কৃতিক ইতিহাস তুলে ধরেন। এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় সাইকেল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় এবং ৯টা ৪০ মিনিটে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য একটি গাইডেড সিটি ট্যুরের আয়োজন করে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য রাখা হয়েছে ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা-ইউএন ট্যুরিজমের অধীনে বিশ্বজুড়ে পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরতে দিনটি পালন করা হয়। ভ্রমণ অভিজ্ঞতা সহজ করা ও টেকসই উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা তুলে ধরাই এ প্রতিপাদ্যের লক্ষ্য।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করবে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড। এরপর ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যটক-উৎস দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পর্যটন সহযোগিতা বাড়ানো এবং বিদেশি পর্যটক টানার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করা হবে।

আগামী ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ আয়োজনের সমাপ্তি হবে। সেখানে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলে ঐতিহ্যবাহী খাবার, জিআই পণ্য, হস্তশিল্প, বস্ত্র ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে বিভিন্ন গন্তব্যের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা প্রদর্শন করা হবে।